স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারদর গত সপ্তাহে ৩৬ দশমিক ৩১ শতাংশ বেড়েছে। সপ্তাহ শেষে কোম্পানিটির সমাপনী শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৯৭ টাকা ৬০ পয়সায়, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৭১ টাকা ৬০ পয়সা। এতে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দরবৃদ্ধির তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১২ টাকা ২৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৫ টাকা ৩১ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৩২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ২৬ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকা ১২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২৩ টাকা ২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৯ টাকা ৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৮৪ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৯ টাকা ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৮২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৯৯ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যেখানে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬ টাকা ৬৬ পয়সায়।
১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের অনুমোদিত মূলধন ১০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৬ কোটি ৪৬ লাখ ১০ হাজার টাকা।
পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৩২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৬৪ লাখ ৬০ হাজার ৬৫০। এর ২৮ দশমিক ২৪ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৭ দশমিক ৭০ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬৪ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।